বই রিভিউব্লগ

চেষ্টার জিম‌নেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম

আজকে আমরা কথা বলবো ঝংকর মাহবুব এর চেষ্টার জিম‌নেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম বইটি নিয়ে।

বইটি কাদের জন্য ? 

ইন্টার উঠারে প‌রের সময়টা কম‌বে‌শি প্রায় অনেক এর জীবনেই অনেকটাই ক্রি‌টিক্যাল। এর সময় অনেক নতুন নতুন মানু‌ষের সা‌থে দেখা হয় , নতুন নতুন প‌রি‌বেশ এ যে‌তে হয় , অ‌নেক গুরুত্বপূর্ণ বিষ‌য়ে সিদ্ধান্তও  নি‌তে হয়। ফ‌লে ঐ সময় আমরা অ‌নেকেই এক প্রকার হতাশায় ভু‌গি । হতাশা বল‌লে ঠিক হ‌বে না আস‌লে ভু‌গি সিদ্ধান্তহীনতায় । কোন সম‌য়ে কোন টা কর‌বো , কি করা উঠিত , কার সাথে আড্ডা দেয়া উ‌ঠিত ইত্যা‌দি নি‌য়েই সিদ্ধান্তহীনত‌ার সমস্যায় ভু‌গি। ঐসব ভুক্তভুগ‌ি‌দের জন্য মূলত বই‌টি। সবই‌টি সহজ প্রত্যক‌টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নি‌য়ে আ‌লোচনা করা হ‌য়েছে।   

বইয়ের মুল চরিত্রসমূহ 

বই‌টি‌তে মূল চ‌রিত্র ছি‌লো শাবাব। তা‌কে কেন্দ্র ক‌রেই মূলত লিখা। আমা‌দের শিক্ষা জীবন এক এক জ‌নের এক এক রকমভা‌বে যায় । শাবাবের ক্ষে‌ত্রেও সেটা ব্য‌তিক্রম হয়‌ নি।  সে স্কুল লাই‌ফে ভা‌লোই ছি‌লো পড়াশুনায় কিন্তু ক‌লেজ উঠার পরই পড়াশুনার ফা‌কিঁবা‌জি বে‌ড়ে যায় । ফলস্বরূপ তার ফাইনাল প‌রিক্ষার আ‌গে ৯০% সি‌লেবাসই র‌য়ে যায়। ফলে সে এক প্রক‌াশ সিদ্ধান্তহীনতায় ভু‌গে এবং কি কর‌বে সে বুঝ‌তে পার‌ছি‌লো না। এমত অবস্থায় সে  শরণাপন্ন হয়  ফা‌হিম সৌরভ ভাই‌য়ের কা‌ছে। ফা‌হিম সৌরভ হ‌চ্ছেন ঢাকা ভা‌র্সি‌টির মাই‌ক্রো বা‌য়োল‌জিন ফাইনাল ই‌য়া‌রের শিক্ষার্থী এবং তি‌নি প্রায়ই পড়াশুনা , লাই‌ফের বি‌ভিন্ন জি‌নিস নি‌য়ে টিপস অ্যান্ড ট্রিকস নি‌য়ে ইউ‌টিউ‌বে ভি‌ডিও শেয়ার ক‌রেন। সেই  সূত্রই থে‌কে শাবাব তা‌তে চি‌নে।  শেষ‌মেশ শাবাব তার সমস্যা গু‌লো ফা‌হিম ভাইয়াকে ব‌লে এবং কি করা যায় ত‌া নি‌য়ে পরার্মশ চান। 

 এরপর ফা‌হিম ভাইয়া তা‌কে সবগুলো বিষয় খ‌ু‌লে ব‌লে এবং শাবাব কে বোঝা‌নেরে চেষ্টা ক‌রে যে কি করা উ‌ঠিত। শাবাবও ধী‌রে ধী‌রে ব্যাপার গু‌লো বুঝ‌তে পা‌রে এবং নি‌জে পরিবর্ত‌নের কা‌জে লে‌গে প‌ড়ে। এবং সে নি‌জে‌কে প‌রিবর্তনও কর‌তে সক্ষম হয়। এভা‌বেই  তার লাই‌ফে  প‌রির্বতন আশা করুন হয়।  এক সম‌য়ের ফা‌কিঁবাজ শাবাব থে‌কে সে নি‌জে‌কে আ‌বিষ্কার ক‌রে নূতন এক শাবাব‌কে। 

নি‌চে বই‌য়ের গুরুত্বপূর্ণ গাইড লাইন নি‌য়ে আ‌লোচনা করা হল: 

সি‌লেবাস দ্রুত শেষ করার উপায় 

‌সি‌লেবাস দ্রুত শেষ কর‌তে হ‌লে অবশ্যই পড়াশুনায় আ‌গের থে‌কে আ‌রো সময় বা‌ড়ি‌য়ে দি‌তে হ‌বে। যেখানে আ‌গে এক ঘন্টা প্র‌তি‌দিন পড়‌লে এখন সে জায়গায় পড়‌বে হ‌বে ৩\৪\৫ ঘন্টাও বে‌শি । তাই,  সি‌লেবাস শেষ কর‌তে হলে  ২\৩ মা‌সের জন্য কিছু থে‌কে বিদায় দি‌য়ে পড়াশুনায় লে‌গে থাক‌তে হ‌বে। 

সি‌লেব‌ার শেষ করার জন্য যে লাইফস্টাইল চেইঞ্জ করা লাগ‌বে এমন কোন কথা নাই। যাস্ট অপ্র‌য়োজনীয় কা‌জে গু‌লো‌কে বাদ দি‌তে হ‌বে। যেমন: আ‌গে বা‌হি‌রে ২ ঘন্টা আড্ডা দি‌লে তা ক‌মি‌য়ে ৩০ মি‌নি‌টে এ‌নে চাই‌লে বা‌কি ১:৩০ মি‌নিট পড়‌তে পারা যায়। এরকম অ‌নেক ধর‌নের কাজ র‌য়ে‌ছে যা আমা‌দের ঐসময় না কর‌লেও হ‌বে সেগু‌লো‌কে বাদ দি‌তে হ‌বে।  

আরো পড়ুন ঝংকর মাহবুবেব অন্যান্য বই সমূহ –

ছাত্র জীবনে কামাই করার উপায় 

ছাত্র জীবনে নানা ভা‌বেই টাকা উপার্জন করা সম্ভব ।ছাত্র জীবনে  টাকা  কামা‌নোর জন্য  সব‌চে‌য়ে সহজ উপায় হ‌চ্ছে টিউশ‌নি  করা‌নো। এছাড়াও আপ‌নি যে‌কো‌নো এক‌টি বিষ‌য়ে  দক্ষ হ‌য়ে  কা‌জে নে‌মে যে‌তে পা‌রেন।  সেটা হ‌তে পা‌রে গ্রা‌ফিক্স ডিজাইন, ও‌য়েব ডিজাইন \ ডে‌ভেলপ‌মেন্ট , ডি‌জিটাল মা‌র্কে‌টিং , এ‌নি‌মেশন তৈ‌রি , কার্টুন আকাঁ, ভি‌ডিও এ‌ডি‌টিং ইত্যা‌দি । এছাড়াও চাই‌লে আপ‌নি স্টার্টআপও শুরু ক‌রে দি‌তে পা‌রেন।  এছাড়াও চাই‌লে ক‌মিশন বেইজড সেলস অর্থ্যাৎ এ‌ফি‌লি‌য়েট মা‌র্কে‌টিং , ভি‌ডিও গেমস স্ট্রি‌মিং (য‌দি গে‌মস বে‌শি খে‌লে থা‌কেন)। 

ডিসিশন নিতে 1 – 1 – 1 ফর্মুলা 

আমা‌দের জীবনের ক্ষে‌ত্রেই বি‌ভিন্ন ছোট, বড় ধরনের ডি‌সিশন নি‌তে হয়। ত‌বে ডি‌সিশন নি‌তে ‌বে‌শি সময় ব্যয় করা মো‌টেই উ‌ঠিত নয়।  ডি‌সিশন যত তাড়াতা‌ড়ি নেওয়া যায় ততই মঙ্গল।  তাই ডি‌সিশন নেয়ার ক্ষে‌ত্রে য‌দি কোন বড় ধর‌নের ডি‌সিশন নি‌তে হয় তার জন্য স‌র্বোচ্চ এক সপ্তাহ সময় ব্যয় করা। এর মধ্যেই  ডি‌সিশন নি‌তে হ‌বে । প্র‌য়ো‌জনে বড়‌দের মতামত নি‌তে হ‌বে।  

মেজর ডি‌সিশন অথ্যার্ৎ অ‌নেক সময় লাই‌ফে ছোটখা‌টো বা মাঝা‌রি সাই‌জের কিছু ডি‌সিশন নি‌তে হয় । যেমন : এটা শিখব না ওটা শিখব? কো‌চিং কর‌বো না প্রাই‌ভেট পড়‌বো? এ টাই‌পের গু‌লোতে চেষ্টা কর‌তে হ‌বে যেন এক দিনেই  ম‌ধ্যেই ডি‌সিশন নি‌তে । 

মাইনর ডি‌সিশন তথা অকা‌জের জি‌নিস গু‌লো অযথায় চিন্তা করা যেমন : আজ‌কে এটা খা‌বো না ওটা খা‌বো? এ জামা পড়‌বো না ঐ জামা পড়‌বো?  এ জি‌নিস গু‌লো‌তে ডি‌সিশন নি‌তে হ‌বে মি‌নিট এর ম‌ধ্যেই এবং স‌র্বোচ্চ এ ধর‌নের কাজ গু‌লোর  জন্য এক ঘন্টার বে‌শি ব্যয় করা কখ‌নোই উ‌ঠিত নয়। 

 এক সপ্তাহ , এক দিন, এক দিন অর্থাৎ  1 – 1 – 1 ফর্মুলা ব্যবহার ক‌রে ডিসিশন নি‌তে হ‌বে। 

লার্ন অ্যান্ড এক্স‌প্লোর টু বিকাম অ্যান এক্সপার্ট 

‌জীব‌নের যাই ক‌রে না কেন , কিছু কর‌তে হ‌লে কোন না কোন কিছু অবশ্যই শিখ‌তে হ‌বে। যে বিষ‌য়ে শিখ‌বেন সে বিষ‌য়ে যারা ভা‌লো কর‌ছে তা‌দের কে ফলো কর‌তে হ‌বে । সু‌যোগ পে‌লে সেসব বিষয় নি‌য়ে তা‌কে জিজ্ঞাস কর‌তে হ‌বে। ম‌নে রাখ‌বেন শিখ‌তে কোন লজ্জা নেই। 

নতুন প‌রি‌বেশ এর গে‌লে  কি করা উচিত ? 

নতুন প‌রি‌বেশ এ গে‌লে হুট করেই  মি‌টিং পি‌টিং বসে চিল্লা পাল্লা করার প্র‌য়োজন নেই। বরং পর্য‌বেক্ষণ কর‌তে হ‌বে। তারপর ম‌নে‌যোগ সহকা‌রে শুন‌তে হ‌বে  এবং অ্যানালাই‌সিস কর‌তে হ‌বে।  এবং তা‌দের কাছ থে‌কে শিখার চেষ্টা কর‌তে হ‌বে। এবং সবার শে‌ষে য‌দি কিছু বলার প্র‌য়োজন হয় তখন  মতামত জানা‌বেন। অর্থাৎ (Observe listen Learn Speak ) মেথড এপ্লাই কর‌তে হ‌বে। 

পাত্তা আদা‌য়ের উপায় 

আপ‌নি য‌দি এ‌কেবা‌রেই  অতি  সাধারণত মানুষ হোন তাহ‌লে আপনা‌কে কেউই তেমন পাত্তা দি‌বে না। পাত্তা পাওয়ার জন্য আপনা‌কে অবশ্যই  এমন কিছু কর‌তে হ‌বে যা‌তে আপনা‌কে সবাই পাত্তা দেয়। যেমন ধরুন আপনি বই পড়‌তে ভা‌লোবাস‌তে শুরু কর‌লেন। আপ‌নি চাই‌লে কিন্তু বই রিভিউ শুরু কর‌তে পা‌রেন। প্রথম দি‌কে ও‌তো সারা নাও পে‌তে পা‌রেন। কিন্তু ধী‌রে ধী‌রে আপনা‌কে অ‌নে‌কে পাত্তা দি‌তে শুরু কর‌বে। অ‌নেকেই  বই নি‌য়ে  পরামর্শ চাই‌তে আস‌বে। এরকম আ‌রো নানা ভাবেই আপ‌নি আপনার পাত্তা আদায় ক‌রে নি‌তে পা‌রেন। 

কখ‌নো কাউ‌কে আন্ডার এ‌স্টি‌মেন্ট না করা 

কাউ‌কে দে‌খে হিংসা এবং আন্ডার এ‌স্টি‌মেন্ট ভু‌লেও কর‌তে যা‌বেন না। বরং এগুলো না করে তার কাছ থে‌কে শিখ‌ুন। সে কিভা‌বে কাজ কর‌লে তার ফ‌লো ক‌রে নতুন কিছ‌ু করার চেষ্টা করুন।  ম‌নে রাখ‌বেন , একজন হার্ডওয়্যাকার‌কে আন্ডার এ‌স্টি‌মেট করা মা‌নে , নি‌জের অ্যা‌বি‌লি‌টি‌কে কা‌জে না লাগা‌নোর ফ‌ন্দি করা। আপ‌নি যেটা নি‌জে ম‌ধ্যে ইনপুট দি‌বেন ,আউটপুট হি‌সেবেও কিন্ত তাই পা‌বেন। 

বুঝে শুনে কাজ করা

যেকাজই করুন না কেন আপনা‌কে অবশ্যই বু‌ঝে শু‌নে কাজ কর‌তে হ‌বে। যে জি‌নি‌সের যেখা‌নে ব্যবহার সেটা‌কে সেখানেই  ব্যব‌হার কর‌তে হ‌বে। যেমন : আপ‌নি একটু  বড় গাছই কাট‌তে চা‌চ্ছেন। গাছ ছু‌রি দি‌য়েও কাটা যায় আব‌ার কুড়াল দি‌য়েও কাটা যায়। এখন আপনা‌কেই  বু‌ঝে নি‌তে হ‌বে কোনটা দি‌য়ে কাজ কর‌লে স‌ঠিকভা‌বে আপ‌নি কাজ টি শেষ কর‌তে পার‌বেন। 

টাইম ম্যা‌নেজমেন্ট করার উপায় 

টাইম ম্যা‌নেজ করার REST ট্রিকস্ ফর্মুলা 

যা‌দের পড়‌তে ভা‌লো লা‌গে না বা পড়‌তে মন যায় না কিংবা টাইম ম‌্যা‌নেজ কর‌তে পারে না । তা‌দের জন্য একটা সহজ  ট্রিকস হ‌চ্ছে REST ফর্মুলা এপ্লাই করা। 

REST এর E থে‌কে শুরু করা যাক, 

E দি‌য়ে হ‌লো Elemintate ।   ভা‌লো কিছু কর‌তে হ‌লে আপনাকে কিছু জি‌নিস এ‌লি‌মি‌নেট করে পেল‌তে হ‌বে। যেমন : আমরা অপ্র‌য়োজ‌নে নানা সময় অপচয় ক‌রি তা এ‌লি‌মি‌নেট ক‌রে ধী‌রে ধী‌রে বাদ দি‌য়ে দি‌তে হ‌বে। 

এরপর S দি‌য়ে হ‌চ্ছে Specific ।ম‌নো‌যোগী হ‌তে হ‌লে আপনা‌কে স্পে‌সি‌ফিক হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  আপনা‌কে সবসময় স্পে‌সি‌ফিক হ‌তে হ‌বে এমন কোন কথ‌া নয়। আপ‌নি নি‌দির্ষ্ট একটা সম‌য়ের জস্য স্পে‌সি‌ফিট হোন এবং নি‌দির্ষ্ট কিছু কাজই কর‌ুন ঐ সম‌য়ে। 

T দি‌য়ে  হ‌চ্ছে Timebox । আপনা‌কে দি‌নের ২৪ ঘন্টাই‌ যে কা‌জের ম‌ধ্যে থাক‌তে হ‌বে এমন কোন কথা নেই। আপ‌নি জাস্ট নি‌র্দিষ্ট কিছু সম‌য়ে আপনার কাজগু‌লোর করার প‌রিকল্পনা করুন। যেমন আপ‌নি পরিকল্পনা কর‌লেন যে আপ‌নি আজ‌কে ৩ ঘন্টায় পড়‌বেন। এখন এ তিন ঘন্টা সময় আপ‌নি কিভা‌বে কা‌জে লাগা‌বেন সেটা আপনার উপর নির্ভর কর‌বে। আপ‌নি চাই‌লে সকা‌লে এক ঘন্টা , বিকা‌লে এক ঘন্টা এবং এক ঘন্টা প‌ড়ে আপনার প‌রিকল্পনা‌টি বাস্তবায়ন কর‌তে পা‌রেন। 

এবং শে‌ষে হ‌চ্ছে R তথা Reward । এটা অ‌নেক টা কিছু পে‌লে কিছু দি‌তে হয় এটাই‌পের। যেমন :আপনি একটা স্পে‌সি‌ফিক টা‌র্গেট সেট কর‌লে এবং নি‌জে‌তে চেঞ্জ ক‌রে বল‌লেন যে আ‌মি এ টা‌র্গেট টি শেষ ক‌রে বন্ধু‌দের সা‌থে আড্ডা দি‌বো অথবা ঘুর‌তে যা‌বো। অর্থাৎ নি‌জে নি‌জেই  পুরষ্কৃত করা টাই‌পের। 

ক্যা‌রিয়ার নি‌য়ে চিন্তা 

ক্যা‌রিয়া‌রে ধরণ কে আমার ক‌য়েক ভা‌গে ভাগ কর‌তে পা‌রি যেমন : চাল্লু ক্যা‌রিয়ার, চলনসই ক্যা‌রিয়ার আর হায় হায় ক্যা‌রিয়ার। 

চাল্লু ক্যা‌রিয়া‌রে মা‌নে হ‌চ্ছে যারা তা‌দের ক্যা‌রিয়ার ভা‌র্সি‌টি থাকা অবস্থায়ই ডে‌ভেলপ করে পে‌লে। ফ‌লে তা‌দের আর ভা‌র্সি‌টি লাইফ শে‌ষে ব‌সে থাক‌তে হয় না। চাল্লু ক্যা‌রিয়ার কর‌তে হ‌লে আপনা‌কে অবশ্যই ভ‌া‌র্সি‌টি থাকা অবস্থায়ই পড়াশুনা ঠিক রাখ‌তে হ‌বে , পার‌সোনাল ডে‌ভেলপ এর দি‌কে খেয়াল রাখ‌তে হ‌বে। অর্থাৎ  যা‌কে বলা হয় অলরাউন্ডার হ‌তে হ‌বে। 

চলনসই ক্যা‌রিয়ার হ‌চ্ছে অ‌নেকটা ম‌ধ্য‌বিত্তদের মত। জীবন যা‌চ্ছে জীব‌নের ম‌তে।  কিন্তু হঠাৎ ম‌নে হ‌লো যে কিছু করা প্র‌য়োজন । সে প্র‌য়োজন থে‌কেই  ভা‌র্সি‌টি‌তে শে‌ষের সময়গু‌লো‌তে প্রচুর প‌রিমান সময় দি‌য়ে নি‌জের কে ডে‌ভেলপ ক‌রে। 

আর হায় হায় ক্যা‌রিয়ার টা যা‌দের যারা ভা‌র্সি‌টির চারটা বছরই কা‌টি‌য়ে দেয় ফেল কর‌তে ফেল । এবং শেষ‌মেশ পাশ ক‌রে কোনরকম টে‌নেটু‌নে। এরপর চাক‌রি বাজা‌রে এ‌সে তারা চ‌লে যায় ডি‌প্রেশ‌নে  কে চাক‌রি দি‌বে?, কোথায় চাক‌রি কর‌বে ? ইত্যা‌দি বিষয় নি‌য়ে । য‌দি শেষমেশ তারা কিছু একটা ব্যবস্থা কর‌তে পা‌রে।  ত‌বে এরকম ক্যা‌রিয়ার না হওয়‌াটাই  মঙ্গল। 

‌চেষ্টা কর‌বেন ক্যা‌রিয়ার গড়‌লে চাল্লু ক্যা‌রিয়ারই গড়‌তে। 

এছাড়াও আরো নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যা ছিলো সময় উপযোগী । বইতে একটি ইন্টারেস্টিং বিষয় ছিলো সেটা ক্যাপাবেলেটি পরিক্ষা করার জন্য একটি মেরুদন্ড এবং কিছু প্রশ্ন ‍। যেগুলো উত্তর দেয়ার মাধ্যমে জানা যাবে নিজের অবস্থান কোন অবস্থায় আছে। দেরি না করে আজই পড়া শুরু করুন। 

চেষ্টার জিম‌নেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম
চেষ্টার জিম‌নেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম

 

বইটির কপিরাইট থাকায় আমরা বইটির পিডিএফ দিতে পারছিনা। রকমারি থেকে সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button