ক্যারিয়ার কথনডিজিটাল মার্কেটিং
Trending

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এবং তার ক্যারিয়ার

ডিজিটাল মার্কেটিং এবং তার ক্যারিয়ার

ডিজিটাল মার্কেটিং

আমরা এখন বসবাস করছি ডিজিটাল যুগে। আপনি পৃথিবীতে বসবাস করছেন নৃত্য নতুন সব ডিজিটাল প্রযুক্তির মাঝে। আর সাধারনত সেই দিক থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য ডিজিটাল হয়ে গিয়েছে। আর সাধারনত এ ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগানো কেই বলা হয়ে থাকে ডিজিটাল মার্কেটিং। গবেষনায় উঠে এসে যে, এই ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের কারণে প্রায় ৬০-৭০% প্রচলিত জব এক্সিস্ট করবে না। তাই এখন থেকেই আমাদেরকে সেভাবে গড়ে তুলতে হবে। 

আসলে সহজ কথায় বলতে গেলে, ডিজিটাল মার্কেটিং মানে হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক তথা ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচার  করাকে বুঝায়। সেই প্রচার প্রক্রিয়া সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং কিংবা অন্যান্য কিছু মাধ্যম যেমনঃতারবিহীন টেক্সট মেসেজিং, মোবাইল ইন্সট্যান্ট মেসেজিং,মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, ডিজিটাল টেলিভিশন, ইলেকট্রনিক বিল বোর্ড, এবং রেডিও চ্যানেল এর ইত্যাদি মাধ্যমে হতে পারে। তবে এতগুলো মাধ্যম হতে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া। এক পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে যে, বিশ্বের ৫৫.০৮% ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে ৭৫% মানুষই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। তাহলে বুঝতে পারছেন ভবিষ্যৎ এর চাহিদা কি পরিমাণ বাড়তে পারে। আজকে সেসব বিষয় নিয়েই কথা বলবো ।  

লানিং বাংলাদেশ এর ডিজিটাল মার্কেটিং এর ফ্রি ও পেইড কোর্সগুলো দেখতে ক্লিক করুন। 

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করা হয় 

সাধারণত ডিজিটাল মার্কেটিং করা হয় কোন পণ্য বা সেবার প্রচার করার জন্য।ধরুন টিভি বিজ্ঞাপন কেন ব্যবহার করা হয় পণ্যের প্রচার করার জন্য তেমনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজই হলো পণ্যের প্রচার করা। সাধারণত আরও একটি বিষয় জড়িত রয়েছে সেটি হল কোন ডিজিটাল মাধ্যমকে পণ্যের প্রচার এর জন্য কেন ব্যবহার করা হয়। 

সাধারণত ডিজিটাল মার্কেটিং এ পণ্যের প্রচার করার বড় একটি কারণ হলো মানুষের ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করা।কেননা এখন বর্তমান সময়ে বা আধুনিক যুগে খুব কম সংখ্যক মানুষ কিন্তু টিভি দেখার সুযোগ পায়। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ গুগল, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এসব সাইটগুলোতে বেশি সময় ব্যয় করে থাকে। আর সাধারনত এটা একটা বড় কারণ ডিজিটাল মার্কেটে এড দেওয়ার জন্য।

আরো পড়ুন : গ্রাফিক্স ডিজাইন বই PDF Download 2021 Latest Version

আরো পড়ুন : Web Design Bangla Book PDF Download

আরো পড়ুন : All HTML Tags List in Bangla

আরো পড়ুন : সেরা ৫ টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের তালিকা -২০২১

বর্তমান সময়ে  ডিজিটাল মার্কেটিং কেন এত প্রয়োজনীয় ?

প্রচলিত মার্কেটিং এর ‍তুলনায় বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাড়িঁয়ে। এর কারণটা আপনি আশেপাশে তাকালেই  ভালোভাবে বুঝতে পারবেন। এখন মানুষ মার্কেট এর তুলনায় অনলাইনেই ক্রয় করতে অনেকটােই ঝুকছেঁ। তারা পন্য সর্ম্পকে জানছে, রিভিউ দেখছে। 

বর্তমান বিশ্বে মোট প্রায় ৫.১১ বিলিয়ন মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। আর এর সংখ্যাও দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর মোবাইল ব্যবহার করার সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ডিজিটাল মার্কেটিং চাহিদাও বাড়ছে। স্ট্যাটিসটিক্সের মাধ্যমে ইউজার সার্ভে একটি রিপোর্ট উল্লেখ করেছে যে, প্রায় ৮৪% বিক্রেতা, মার্কেটার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে ক্রেতার তথ্য সংগ্রহ করার জন্যে। এছাড়াও অন্য আরেকটি সার্ভে রিপোর্ট দেখা গিয়েছে যে, সারা বিশ্বে ৫৫% মানুষ যেকোন পন্য ক্রয়ের জন্যে সামাজিক মাধ্যমের ওপরেই নির্ভরশীল। 

এছাড়া আরো একটি সার্ভে রেজাল্ট দেখিয়েছে যে, সারা বিশ্বে ৫৫% মানুষ যেকোন পন্য ক্রয়ের জন্যে সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল। 

ডিজিটাল মার্কেট এর সুবিধা গুলো 

★আপনি এখানে অল্প বিনিয়োগ করে সফলভাবে বাণিজ্য করতে পারবেন 

★সাধারণত এখানে কাস্টমার টার্গেট করে মার্কেটিং করা যায় যা অন্য কোন মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। 

★যদি সঠিকভাবে মার্কেটিং করতে পারেন তাহলে এখানে অনেক বিক্রয় করা সম্ভব। 

★সাধারণত এখানে ইচ্ছামতো বিজ্ঞাপণ প্রকাশ করা যায় এবং ইচ্ছামতো বন্ধ করা যায়। 

★আর এখানে বিজ্ঞাপন বাজেট কমানো বা বাড়ানো যায় আর আপনি যদি বিজ্ঞাপন বাজেট কমাতে চান তাহলে আপনার এখানে কোন সমস্যার সম্মুখীনও হতে হয় না। 

★মার্কেটিং করার জন্য সাধারণত অল্প টাকা বিনিয়োগ করার জন্য পণ্য বা সেবার দাম বৃদ্ধি পায় না। 

★সবচেয়ে বড় যে সুবিধাটি  সেটা হল ডিজিটাল মার্কেটিং করার মাধ্যমে সরাসরি কাস্টমারের কাছে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায়।   

লানিং বাংলাদেশ এর ডিজিটাল মার্কেটিং এর ফ্রি ও পেইড কোর্সগুলো দেখতে ক্লিক করুন। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করবেন কিভাবে

ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন ভাবে কাজ করা যায় আমি আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করার 10 টি উপায় সম্পর্কেঃ

১.সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

what is seo?

সাধারণত এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনার ওয়েবসাইটে এটি গুগোল, ইয়াহু, বিগ বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন অনুসন্ধান এর ফলাফল গুলো সাধারণত পর্যালোচনা করে থাকে। এখনকার প্রযুক্তির বাজারে কোন পণ্য বা প্রোডাক্ট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এসইও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আপনি যদি আপনার পণ্যের ভালোভাবে এসিও করতে পারেন তাহলে আপনি আপনার পন্য বা প্রডাক্ট কে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের সবার উপরে নিয়ে আসতে পারবেন যার ফলে অনেক বেশি মানুষ আপনার পণ্যটি কে সার্চ করলে দেখতে পারবে। আর সাধারনত এর কারণে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রির হারও অনেকাংশে বেড়ে যাবে। তবে আপনার প্রোডাক্ট বা পণ্যের জন্য আপনি কোন সময় ডুপ্লিকেট কনটেন্ট ব্যবহার করবেন না এতে সাধারণত এসইও টা পরিপূর্ণভাবে হবে না। আপনি যদি আপনার প্রোডাক্ট বাপ অন্যকে অনেক বেশি মানুষের সামনে প্রচার করতে পারেন তাহলে আপনার পণ্যের বিক্রি দ্বিগুণ পরিমাণ হবে সেজন্য আপনাকে অবশ্যই এসইও করতে হবে অনলাইনে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য। 



২.সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং

সাধারণত সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা SEM একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটিং কৌশল যা সাধারণত প্রাথমিকভাবে দেওয়া প্রচেষ্টার মাধ্যমে আপনার ব্যবসার জন্য ট্রাফিক ড্রাইভ হয়ে থাকে। তাকে আবার সহজ ভাষায় Paid সার্চ মার্কেটিং ও বলা হয়ে থাকে। আর এটা সাধারণত কিভাবে করা হয়ে থাকে আপনার ব্যবসার গঠনের উপর ভিত্তি করে এই মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। আরে ক্ষেত্রে সাধারণত ppc অথবা সিপিসি মডেল বা সিপিএম মডেল খুব সহজেই নির্বাচন করতে পারবেন। আর এইসএমম সাধারণত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের হয়ে থাকে। যেমন ধরুন গুগল কোম্পানির adworld,এবং বিং বিজ্ঞপ্তি, ইয়াহু বিং নেটওয়ার্ক এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এসএইম বর্তমানে অনলাইন মার্কেটপ্লেসের সবচেয়ে সাশ্রয়ী যা কিনা আপনার রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বাড়াতে পারে।   

৩.কনটেন্ট সৃষ্টি করা

contents marketing

সাধারণত গবেষণার মাধ্যমে দেখা গিয়েছে যে বিষয়বস্তু নির্মাণের জন্য গুগলের অ্যালগরিদম ২০১৪ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে আপনাদের এটাও জেনে রাখতে হবে যে সাম্প্রতিক সময়ে গুগল তার অ্যালগরিদম পরিবর্তন করেছে।যেমন ধরুন অনলাইনে আপনার যেকোন কনটেন্ট, যেকোনো পোস্ট কিংবা ফোরাম ডিসকাশনে যাতে আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকে বা যাতে খুব সহজেই আপনার আপনার টার্গেটেড পাঠক আপনার কিওয়ার্ড খুঁজে বের করতে পারে। 

আর সাধারনত সেই জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পরপর আপনার মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট গুলো আপডেট করা উচিত। আর সাধারনত সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য কনটেন্ট  পোস্ট করার ক্ষেত্রে অটোমেটিক প্রক্রিয়াটি আপনার ব্যবহার করা উচিত। আর তাছাড়াও আপনাকে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এর জন্য আপনার বিষয়বস্তুকে নিয়মিত কাস্টমাইজ করতে হবে। 

আর এর উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে মোবাইল ফোনের জন্য বিষয়বস্তু সংক্ষেপ বা সংক্ষিপ্ত হতে হবে। আপনাকে আপনার পাঠকদের জন্য কার্যকর কৌশল তৈরি করতে হবে এবং তারা তাহলে আপনার কাছ থেকে আরও বেশি তথ্য জানতে আগ্রহী হবে। সাধারণত একটি ভাল কনটেন্ট তৈরি করা এবং এটি প্রচার করা আপনার ব্যবসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। 

৪.সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

social media manager

আপনারা সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্বন্ধে কমবেশী সবাই জানেন এবং এটি  ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং টা কতটা জরুরী সেটা আপনারা হয়তো তাও জানেন। আর আপনার ব্যবসার পণ্যের প্রচার এর জন্য এরচেয়ে ভালো জায়গা এখনো নাই এখনো তৈরি হয় নাই। আর আপনাকে জন্য কি করতে হবে – আপনাকে একটি একটিভ কমিউনিটি তৈরি করতে হবে এবং এমনভাবে আপনি একটিভ কমিউনিটি তৈরি করবেন যেখানে সবাই একটিভ থাকবে সবসময়।

আর আপনি সাধারণত এই ধারা অবলম্বন করে টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইনে একটি কমিউনিটি তৈরি করতে পারেন। আর কিছুদিন পর পর আপনার টার্গেটকৃত ক্রেতাদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। আপনার নিজের যদি কোন ওয়েবসাইট থাকে বা ব্লগে পোষ্ট দেয়ার সময় আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক বাটন যুক্ত করতে পারেন।

 আর সকল ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া এগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য ম্যানেজমেন্ট টুলস ব্যবহার করুন যা আপনাকে সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবসার ক্ষেত্রে ভালো ফলাফল বের করে আনতে সাহায্য করে থাকবে। আর সাধারনত এর জন্য আপনাকে নিয়মিত পোস্ট করতে হবে এবং আপনি যদি পোস্টগুলো রুটিন মেনে করেন তাহলে সব থেকে ভালো হয়। যেমন ধরুন আপনি যদি তিন দিন পর পর পোস্ট করতে থাকেন তাহলে আপনাকে তিনদিন পর বাড়ি করতে হবে আপনি যদি এক সপ্তাহ পর পর পোস্ট করতে চান তাহলে এক সপ্তা পর পরই করতে হবে আর এটা যদি আপনি নিয়ম অনুযায়ী করতে পারেন তাহলে আপনার ভিজিটর বুঝতে পারবে যে আপনি কোন সময় আবার নতুন কন্টেন্ট যোগ করবেন তাহলে তারাও আসবে নতুন কিছু পাবার আশায়। 

৫.ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন

display ads

সাধারণত এটা হল অনেকটা এসইএম ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি উপসেট মার্কেটিং ব্যবস্থা। আপনি এখানে সাধারণত শ্রোতাদের লক্ষ্য করে ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন ফরমেটের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করতে পারেন এটি টেক্সট, ইমেজ, ব্যানার, সমৃদ্ধ মিডিয়া, ইন্টারেক্টিভ ভিডিও বিজ্ঞাপন হতে পারে।আপনার আগ্রহ, বিষয়বস্তুুর বিষয় বাক্রয় চক্রের উপর ভিত্তি করে আপনাকে বিভিন্নভাবে বার্তা কাস্টমাইজ করতে হবে। 

তবে আপনাকে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, সেটা হলো ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন তুলনামূলকভাবে অনেকটা ব্যয়বহুল। আর আপনি যদি আপনার ব্যবসার জন্য ভালো  Roi চালু করেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া উচিত। 

 

৬.মোবাইল মার্কেটিং

mobile marketing

এমএমএস মার্কেটিং, এসএমএস মার্কেটিং, ব্লুটুথ মার্কেটিং, এর মাধ্যমে সাধারণত মোবাইল মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। আর সাধারনত এর মধ্যে যে কয়টা একটা মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে এসএমএস ফর মোবাইল মাধ্যমটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি সাধারণত ভার্চুয়াল জগতের ডিজিটাল যুগের মানুষ এবং আপনার ফেসবুক টুইটার ইনস্টাগ্রাম এখানে অনেক ফলোআর আপনার থাকতে পারে। তাদেরকে সাধারণত আপনি মেসেজ বা টুইট করতে পারেন আপনার কিওয়ার্ড গুলো  দেখার জন্য।



আপনি যখন তাকে নিয়মিত এসএমএস দিতে থাকবেন তাহলে হয়তো তার সাথে আপনার একটি ভাল সম্পর্ক তৈরী হবে এবং তখন হয়তো তারা আপনার প্রোডাক্টের সাবস্ক্রাইবার হয়ে যাবে। আর যারা সাধারণত আপনার প্রোডাক্টের সাবস্ক্রাইবার আছে তাদেরকে আপনি নিয়মিত প্রোডাক্ট এর বিবরণ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মেসেজ দিতে পারেন।তবে মেসেজটি অবশ্যই সংক্ষিপ্ত হতে হবে এবং এটি যেন ১৬০ ওয়ার্ডের বেশি না হয়।আর তাছাড়া আপনার ডান সিটি হতে হবে ফ্রেন্ডলি আপনার যারা সাবস্ক্রাইবার কার মেসেজ পেয়ে যেন এমন মনে করে না যে আপনি আপনার কোম্পানির প্রোডাক্ট কেনার জন্য তাকে প্ররোচিত করছেন।  আর সাধারনত এই মার্কেটিং এ পদ্ধতিটি খুবই কার্যকর এবং এটি টাকা তৈরীর টুল হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে। 

৭.ইমেইল মার্কেটিং

what is email marketing

যখন সাধারণত আপনি আপনার বার্তা ইমেইলের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছবেন তখন তাকে বলা হয়ে থাকে ইমেইল মার্কেটিং। সাধারণত একটি কার্যকর ইমেইল মার্কেটিং সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ইমেইল লিস্ট গ্রাহকদের পছন্দ এবং অপছন্দ এবং খরচ এবং অভ্যাস সহ বিভিন্ন কারণের ওপর ভিত্তি করে আলাদা আলাদাভাবে বজায় রাখতে পারেন। সাধারণত ইমেইল মার্কেটিং তা হল একটি অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আপনার পণ্য বা প্রোডাক্ট এর প্রচার করতে পারবেন এবং আপনার ওয়েবসাইটের ও প্রচার করতে পারবেন। সাধারণত বর্তমানে অনেক দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এই পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি করে ফেলেছে। 

সাধারণত ইমেইল মার্কেটিং হল আপনার যারা ক্রেতা তাদের কাছে আপনার পণ্যের সঠিক তথ্য পৌঁছানোর সবথেকে কার্যকরী পদ্ধতি। আর সাধারনত ইমেইল মার্কেটিংয়ের জন্য প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট, মারকেটিং টুলস এবং পণ্য বা প্রোডাক্ট। সাধারণত ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি মুহূর্তে আপনার পণ্য বা সেবা কে হাজার হাজার মানুষের মধ্যে তুলে ধরতে পারবেন এবং এতে করে আপনার পন্য বা আপনার সাইট অনেক বেশি মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে যাবে। আর এর ফলশ্রুতিতে আপনার পণ্য অনেক বেশি হারে বিক্রি হতে থাকবে।

৮.ভাইরাল মার্কেটিং

আপনি সাধারণত যে সেক্টরে কাজ করে থাকুন না কেন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে ভাইরাল মার্কেটিং বা কনটেন্ট এর গুরুত্ব বলে শেষ করা যাবে না।আর সাধারনত এর মাধ্যমে আপনাকে ছবি বা লেখাকে প্রমোট করতে তেমন বেশি কষ্ট করতে হবে না। মানুষই সাধারণত ভাইরাসের মত করে আপনার কনটেন্টটি  সারা জায়গায় ছড়িয়ে দিব। সাধারণত এটি প্রকাশ করা হয়ে গেলে আপনার তখন কাজ হবে সেটার দিকে নজর কাকার যেমন ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, সব জায়গায় সাধারণত এখন গুগল এনালাইটিক্স ব্যবহার করা হয়ে থাকে আপনি ওটা ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার কনটেন্টটি কত ভালো পারফরম্যান্স করছে বা না করলে কি কারণে করছে না সেটি জানতে পারবেন। তবে আপনাকে সবার আগে যে কথাটা মাথায় রাখতে হবে, সেটা হলো আপনাকে অবশ্যই ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। 

৯. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

সাধারণত আপনি যখন আপনার ডিজিটাল মাল্টিমিটার ব্যবহার করার মাধ্যমে অন্য কারো পণ্য বা সেবা সার্ভিস ভিত্তিক প্রমোশন করাবেন সেটা হবে সাধারণত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।সাধারণত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এমন কোন বিষয় নাই যার মাধ্যমে আপনি রাতারাতি অনেক কিছু করে ফেলতে পারবেন বা অনেক টাকা আয় করে ফেলতে পারবেন। এর মাধ্যমে সাধারণত তারাই সফল হবে যারা ধৈর্য্য ধরে কাজ করে যেতে পারবে।



 ডিজিটাল মিডিয়া  পরিকল্পনা বা বায়িং

সাধারণত যখন মিডিয়া এজেন্সি গবেষণা এবং আরেকটি সমন্বিত  কৌশল ফ্রেমওয়ার্কের সমন্বয়ে  মার্কেটিং হয়ে থাকে তখন আমরা সাধারণত এটাকে ডিজিটাল মিডিয়া পরিকল্পনা বায়িং বলে থাকি। সাধারণত  স্মার্ট ডিভাইস এবং ইন্টারনেটের অতিমাত্রার প্রসারের কারণে দিন দিন অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই অনলাইন ভিত্তিক মিডিয়াগুলো। আর এর ফলে সাধারণত বিশ্বের নামিদামি ব্র্যান্ড বা  কোম্পানি থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে প্রচার প্রচারণার জন্য বড় একটি মাধ্যম হিসেবে বেছে নিচ্ছেন  অনলাইন মার্কেটিং।

 

 ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্যারিয়ার

সাধারণত আপনাকে উচ্চশিক্ষা পাস করার পর যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি তে কাজ করতে হয় তাহলে আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স করতে হবে এবং এমন কোর্স করতে হবে যে কোর্স আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সার্টিফিকেট দিবে। 

আপনার যদি সার্টিফিকেট থাকে তাহলে আপনি সিভির সাথে এটি যোগ করতে পারবেন কেননা দিনদিন ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি তে লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে যার জন্য নিজেকে আরো  অভিজ্ঞতা সম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে আর এর জন্য সাধারণত ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সাধারনত চাকরির বিজ্ঞাপন এপিআই দেখবেন ডিজিটাল মার্কেটিং এর কথা বলা হয় আর আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এ কোর্স করে থাকেন তাহলে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এ খুব সহজেই ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন নিজের। আর এর জন্য আপনার সেরা প্রকৃত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হতে পারে Udemy আপনি এখান থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে পারেন। তবে সাটিফিকেটিই সব যে এমন কিন্তু না। আপনার দক্ষতাটাই কিন্তু একটা মুর্খ্য বিষয়। নিজেকে সব দক্ষ করে তুলতে পারবেন এ সেক্টরে আপনার চাহিদা ততই বাড়বে। দক্ষতা বিহীন সার্টিফিকেট আপনার কোন কাজেই দিবে না। তবে দক্ষতার সোথে সার্টিফিকেট থাকলে আপনার ভ্যলু  বাড়বে। Udemy ছাড়াও আমাদের দেশেও বর্তমানে অনেক ভালো মানের ‍ডিজিটাল মার্কেটার তৈরি হচ্ছে এবং তারাও কোর্স বের করছে। একটু আশেপাশে খোজঁ খবর নিলেই তাদের তথ্য পেয়ে যাবেন। আপানার যদি কোর্স এর লিস্ট সম্পর্কে জানতে চান তাহলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আমরা রিসোর্স দেয়ার চেষ্টা করবো।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ

আপনি যদি একজন ভাল ডিজিটাল মার্কেটের হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। আপনি আপনার ক্যারিয়ার ভালো ভাবে গড়ে তুলতে পারবেন ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। আর সাধারনত এর জন্য দরকার পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং ধৈর্য। অনেকে আছেন যারা সাধারণত কাজ শিখুন মাঝপথে হাল ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। এমনটা করলে চলবেনা আমাদের দেশে এমন অনেক ডিজিটাল মার্কেটার রয়েছেন যারা মাসে লক্ষাধিক উপরেও উপার্জন করছে।

আর আপনি যদি মার্কেটপ্লেসে একবার নিজের পরিচিতি অর্জন করতে পারেন তাহলে আপনাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না আপনি এর মাধ্যমে আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার খুব ভালোভাবে গড়ে তুলতে পারবেন।আর সাধারনত দিনদিন ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা বেড়েই চলেছে আর ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা যদি পারে তাহলে অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটারদের চাহিদা বাড়বে। 

লানিং বাংলাদেশ এর ডিজিটাল মার্কেটিং এর ফ্রি ও পেইড কোর্সগুলো দেখতে ক্লিক করুন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button